Logo

 
উদ্দীপন
Logo

উদ্দীপন সম্পর্কে

উদ্দীপনে স্বাগত : ১৯৮৪ সালে উদ্দীপনের যাত্রা শুরু। তবে ১৯৯১ সালে উদ্দীপন ‘ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচীতে’ যুক্ত হয়। ১৯৯১ সালে ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়সহ মোট ৪টি শাখা অফিসে ‘ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচীতে’ উদ্দীপনের মোট স্টাফ ছিলেন মাত্র ৫৪ জন। বর্তমানে ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়সহ ২৫৪টি শাখা অফিসে ‘ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচীতে’ মোট স্টাফ ২,৩৯৮ জন। এছাড়া ৩৭টি জেলার ১৬৬টি উপজেলায় ১,২৮৮ ইউনিয়নস্থ ৭,১৯৬টি গ্রামের কমপক্ষে ২২,১০,৫৬৮ জন মানুষের সাখে ‘ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচীর’ মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উদ্দীপন সরাসরি কাজ করছে।
উদ্দীপনের ভিশন : পরিবেশগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ, শোষণ ও বৈষম্যহীন একটি দারিদ্রমুক্ত সমাজ যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শিশু, নারী ও পুরুষ সমমর্যাদায় সম্মানের সাথে বাস করবে, তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও উপভোগ করবে এবং মূল স্রোতধারায় সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ত থাকবে। উদ্দীপনের মিশন : সামাজিক সমাবেশ, সচেতনতা বৃদ্ধি, জন সংগঠন সৃষ্টি ও উন্নয়ন, এ্যাডভোকেসী ও লবিং এবং পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিশু, নারী ও পুরুষ এবং প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁদের আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়ন। মানব সম্পদ উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নেতৃত্বের উন্নয়ন, দক্ষ উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং মানব সম্পদের পরিপূর্ণ বিকাশ এবং নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের নারীকে কেন্দ্র করে পারিবারিক আয় ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দ্বারা দারিদ্র দূরীকরণ। উদ্দীপনের লক্ষ্য : উদ্দীপনের মৌলিক লক্ষ্য হলো একটা সঠিক পদ্ধতির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষমতায়ন। উদ্দীপনের উদ্দেশ্য : ১. দরিদ্র, নিরক্ষর এবং ভূমিহীন শিশু, নারী এবং পুরুষদের তৃণমূল, আঞ্চলিক এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সমবেত ও সংগঠিত করা। যাতে তাঁরা নিজস্ব আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন বিষয়গুলো পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ২. পিছিয়ে পড়া শিশু, নারী এবং পুরুষদের ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা দিয়ে তাঁদেরকে বিভিন্ন আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ডে সংযুক্তকরনের মাধ্যমে আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন। ৩. লক্ষিত জনগোষ্ঠীকে সরকার এবং অন্যান্যদের দ্বারা প্রদত্ত বিভিন্ন সম্পদ এবং সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে তাদের প্রবেশাধীকার নিশ্চিতকরণ। ৪. প্রয়োজনানুযায়ী শিশু, নারী এবং পুরুষদের স্বাস্থ্যের অবস্থা উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সহজে প্রাপ্য স্বাস্থ্য সেবার সমাবেশীকরণ এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদান। ৫. শিশু অধিকার, নারী অধিকার এবং সর্বোপরি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিশু, নারী এবং পুরুষের অবস্থার পরিবর্তন। ৬. লক্ষিত জনগোষ্ঠীর জীবনে স্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁদেরকে প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার মাধ্যমে তাঁদের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা। ৭. উন্নয়নের জন্য সরকারী প্রচেষ্টা এবং কর্মকান্ডে পারস্পরিক সহযোগীতা প্রদান ও পরিপূরক হিসাবে কাজ করা।

 

NGO সমূহ