Logo

 
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ
Logo

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সম্পর্কে

বিভাগীয় প্রধানের বাণী: রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অত্র জেলায় কমরত এনজিও-সমুহের তথ্য সম্বলিত একটি ম্যাগাজিন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি খুবই আনন্দিত। বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি দুঃস্থ্য ও হতদরিদ্র মানুষের সেবায় এনজিও- সমূহও একাগ্রচিত্তে কাজ করে যাচ্ছে। সেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে গ্রামীন জনগোষ্টির সাবিক উন্নয়ন তথা শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি উন্নয়ন, অথনৈতিক উন্নয়ন, শিশুর সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে সকল এনজিও-সমূহও অন্যন্য ভুমিকা পালন করে আসছে। এ ম্যাগাজিনের তথ্যগুলো এনজিও গুলোকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করবে। একই সাথে সকলমহল সকল এনজিও সমূহ সম্পকে জানতে পারবে এবং তাদের চাহিদা অনুসারে সেবা ণিশ্চিত করতে পারবে।সরকারী ও বেসরকারী সকল মহলের উদ্যেগে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগো্ষ্ঠি, বিষেশত শিশুদের কল্যাণ আরও বৃদ্ধি পাক, এ আমাদের সকলের আন্তরিক কামনা। সেই সাথে রাজশাহী জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক কৃতজ্গতা ও ধন্যবাদ জানাই এনজিও সমূহের তথ্য সম্বলিত একটি সুন্দর ম্যাগাজিন প্রকাশের জন্য। শুভেচ্ছান্তে, ডাঃ গ্লোরিয়াস গ্রেগরী দাস আঞ্চলিক পরিচালক, উত্তরবঙ্গ, রংপুর ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ।
পটভূমি: ওয়াল্ড ভিশন্ একটি শিশু কেন্দ্রিক ত্রান, এবং এ্যাডভোকেসি সংস্থা।শিশু ও তার পরিবার এবং সমাজ থেকে দারিদ্রতা এবং অবিচার দূরীকরণের লক্ষ্যে ওয়াল্ড ভিশন কাজ করে আসছে।১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি সৃষ্টিকতার ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়ে জাতি-ধম-বণ, নারী-পুরুষ কিংবা সক্ষমতা নিবিশেষে বিশ্বব্যাপী দরিদ্রতম ও সবচেয়ে দুদশাগ্রস্থ শিশু এবং সমাজের জন্য সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। সংস্থাটির ভিশন হলো: ‘‘প্রতিটি শিশুর জন্য আমাদের প্রাথণা জীবন তার ভরে উঠুক পরিপূণতায়; প্রতিটি হ্নদয়ের জন্য আমাদের প্রাথনা, অজিত হয় যেন ইচ্ছার দৃঢ়তায়’’ ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে কোরিয়ার যুদ্ধের পরবতী সময় সংস্থাটির প্রতিষ্ঠিাতা ড. বব বিয়াস অনাথ শিশুদের সাহায্যাথে চাইল্ড স্পন্সরশীপ নামের কমসূচি চালু করেন। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে উপকূলীয় এলাকায় প্রলয়ংকরী সাইক্লোন ও জলোচ্ছাস সাড়া প্রদানের মাধ্যমে বংলাদেশে সংস্থাটির পদচারণা শুরু। ওয়াল্ড ভিশন সে সময় ভোলা জেলায় ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে ত্রান সাহায্য পাঠায়।১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের সময় ওয়াল্ড ভিশন ভারতে বালাদেশী শরণাথীদের মধ্যে ত্রাণ সাহায্য বিতরণ করে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারের আহবানে যুদ্ধ বিধবস্ত দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে সংস্থাটি ত্রাণ এবং পুনবাসন কাযক্রম পরিচালনা করে । ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে ওযাল্ড ভিশন বাংলাদেশ নেত্রকোনার দূগাপুর এবং ময়মনসিংহের কিছু শিশু নিয়ে এর স্পন্সরশীপ প্রোগ্রাম শুরু করে। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে সংস্থাটি ঢাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে। বতমানে ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ ৭৫ টি এরিয়া ডেভলোপমেন্ট প্রোগ্রাম (এডিপি)’র মাধ্যমে ৩৫ টি জেলায় সরকারের উন্নযন অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। সংস্থাটি ১৮৩,০০০ রেজিস্টার শিশু (স্পন্সরড চাইল্ড) উন্নয়েনে সরাসরি কাজ করছে । উল্লেখ্য যে ১৯৯৪ সালে জাতি সংঘ ওয়াল্ড ভিশনকে রুয়ান্ডায় কাযক্রমের জন্য আন্তজাতিক ভাবে কাজ করার স্বীকৃতি দেয়। লক্ষ্য: ‘‘ ওয়াল্ড ভিশনের মিশন হচ্ছে, দরিদ্র ও নিপীড়িতদের সাথে কাজের মধ্য দিয়ে মানুষের জীবনে রুপান্তর আনা ও নায্যতা প্রতিষ্ঠা করা।’’ উদ্দেশ্য: ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের কমকৌশল(২০১৩-২০১৬): ১. মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, ২. শিক্ষায় প্রবেশ বৃদ্ধি ও শিক্ষার গুনগত মনোন্নয়ন ৩. শিশুর সুরক্ষা ও যত্ন নিশ্চিতকরণ ৪. দরিদ্রদের জন্য অথনৈতিক উন্নয়নের সুযাগ সৃষ্টি, ৫. শহরের চরম দারিদ্র মোকাবেলা ৬. দুযোগ এবং জলবায়ু পরিবতর্জনিত প্রভাবে সাড়া প্রদান।

 

NGO সমূহ